৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) যমুনা অয়েলের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৬৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৬৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩ টাকা ৯২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৯১ টাকা ৬৭ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা অয়েলের ইপিএস হয়েছে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ টাকা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭৪ টাকা ৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা অয়েলের ইপিএস হয়েছে ৪০ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩০ টাকা ৮৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২৮ টাকা ৬১ পয়সায়।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা অয়েলের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৮৯৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৪ লাখ ২৪ হাজার ৬০০। এর ৬০ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩০ দশমিক ৬০, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৯ দশমিক ২০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।